ইস্তিগফার অর্থ আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। প্রতিদিন নিয়মিত আস্তাগফিরুল্লাহ বলা একজন মুমিনের জীবনে প্রশান্তি, বরকত ও আল্লাহর নৈকট্য নিয়ে আসে। রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজেও প্রতিদিন বহুবার ইস্তিগফার করতেন, যদিও তাঁর সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছিল।
ইস্তিগফার কী এবং কেন করব
আস্তাগফিরুল্লাহ মানে—হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাইছি। এই ছোট্ট বাক্যটি গুনাহ থেকে ফিরে আসার, অন্তর পরিষ্কার করার এবং আল্লাহর রহমতের দিকে ফিরে যাওয়ার ঘোষণা। নিয়মিত ইস্তিগফার অন্তরের ভার হালকা করে এবং আমলকে সতেজ রাখে।
দৈনিক ১০০ বার আস্তাগফিরুল্লাহর ফজিলত
দৈনিক ১০০ বার আস্তাগফিরুল্লাহ বলা সহজ একটি আমল, কিন্তু এর প্রভাব গভীর। এটি গুনাহ মাফের আশা জাগায়, দুশ্চিন্তা কমায় এবং রিজিকে বরকতের দরজা খুলে দেয় বলে কুরআন ও হাদিসে ইস্তিগফারের বহু ফজিলত এসেছে। নিয়মিত আমলই সবচেয়ে প্রিয়—অল্প হলেও প্রতিদিন করা।
কীভাবে এই আমলটি অভ্যাসে আনবেন
- ফজরের পর ও ঘুমানোর আগে নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে নিন।
- তসবিহ বা আঙুলে গুনে ১০০ বার আস্তাগফিরুল্লাহ বলুন।
- অর্থের দিকে মনোযোগ দিন—শুধু সংখ্যা নয়, অন্তর দিয়ে ক্ষমা চান।
- গুনাহ ছাড়ার নিয়ত করুন এবং তাওবার সঙ্গে এই জিকিরকে যুক্ত করুন।
ইস্তিগফার, তাওবা ও রিজিকের সম্পর্ক
ইস্তিগফার ও তাওবা একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। তাওবা মানে গুনাহ ছেড়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা, আর ইস্তিগফার সেই ফিরে আসার ভাষা। কুরআনে ইস্তিগফারের সঙ্গে রিজিক, সন্তান ও বরকতের কথা এসেছে—আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে তিনি দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ দান করেন।
উপসংহার
আজ থেকেই দৈনিক ১০০ বার আস্তাগফিরুল্লাহ বলার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এই ছোট আমলটি আপনার অন্তরকে পরিষ্কার করবে, গুনাহ মাফের আশা জাগাবে এবং জীবনে বরকত নিয়ে আসবে, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিয়মিত ইস্তিগফার করার তাওফিক দিন।



